চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে
বর্ণিল আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৫১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বসন্ত উৎসব উদযাপন
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৫১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বসন্ত উৎসব উদযাপন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫.০০টায় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কথামালা পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্যে জেলা কালচারাল অফিসার সৈয়দ আয়াজ মাবুদ বলেন ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রজন্ম হতে প্রজন্মে বাঙালি সংস্কৃতিকে লালন এবং নান্দনিক শিল্পচর্চা ও বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। বর্তমানে বৈষম্য মুক্ত ও শোষণ মুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তারুণ্যের উৎসব, বহুভাষিক উৎসব, ব্যান্ড সঙ্গীত, নৃত্যানুষ্ঠান ও ভক্তিমূলক সঙ্গীত উৎসব, নাট্যোৎসব সহ শিল্পের বিভিন্ন শাখার সমন্বয়ে সৃজনশীল কর্মসূচি ও অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে সংস্কৃতি চর্চার সুফলকে দেশব্যাপী পরিব্যাপ্ত করে বাঙালি সংস্কৃতিকে বিশ্বমন্ডলেও সমাদৃত করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ।
আবৃত্তি শিল্পী ফারুক তাহের ও শ্রাবণী দাশগুপ্তের সঞ্চলনায় কথামালা পর্ব শেষে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি সঙ্গীতদলের সমবেত কন্ঠে দেশের গান দিয়ে সূচনা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন। সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসস), সঙ্গীত ভবন, রক্ত করবী । দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি নৃত্যদল, স্কুল অব ওরিয়েন্টাল ডান্স, নটরাজ নৃত্য নিকেতন। একক আবৃত্তি করেন আবৃত্তি শিল্পী মিশফাক রাসেল, শারমিন মোশতারী নাজু এবং বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি আবৃত্তি বিভাগ ।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস